নিজেকে সুস্থ সবল ও ফিট রাখতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় সঠিক পুষ্টি সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ ও সঠিক পরিচর্যার। কিন্তু এই ব্যাস্ত জীবনে তা কতটুকুই বা পুরণ করা সম্ভব!
➤ একজন মানুষের দৈনিক শারীরিক ওজনের প্রতি কেজির বিপরীতে ০.৮ থেকে ১ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন হয়।
➤ কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে ৭০% মানুষ প্রোটিনের অভাবে ভোগেন এবং কোন ক্ষেত্রে সেটা ৮০% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
➤ পুষ্টিবিদদের মতে, “সুস্থ থাকতে হলে ফার্স্ট ক্লাস ও সেকেন্ড ক্লাস, দু’টি প্রোটিনই খাওয়া দরকার”।
➤ এছাড়াও, যদি শরীরে সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে অথবা প্রচুর পরিমাণে ব্যায়াম করা হয় বা প্রসবোত্তর কালীন প্রোটিনের চাহিদা বেড়ে গেলে তা পূরণে প্রোটিন পাউডার সহায়ক হতে পারে।
➤ পুষ্টিবিদদের মতে, “সুস্থ থাকতে হলে ফার্স্ট ক্লাস ও সেকেন্ড ক্লাস, দু’টি প্রোটিনই খাওয়া দরকার”। শরীরে ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন আসে মাংস, মাছ, ডিম ও দুগ্ধজাতীয় প্রডাক্ট থেকে। আর সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিনের উৎস ডাল, সয়াবিন, ছোলা, ছাতু, বাদাম ইত্যাদি।
➤ কিন্তু খাবার থেকে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন শরীরে না পৌঁছালে তখনই কাজে দেবে মার্ভেক্স প্রোটিন পাউডার । নিত্যদিনের প্রোটিনের এই প্রয়োজনীয়তা আমাদের এই প্রোটিন পাউডার দিয়ে খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব।
💪 খাবারে প্রোটিনের অপর্যাপ্ততা অর্থাৎ শরীরে প্রোটিন এর ঘাটতি দূরীকরণে প্রোটিন পাউডার গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
💪 কিছু ব্যক্তি বিশেষ করে যাদের নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকাগত চাহিদা বা স্বাস্থ্যগত অবস্থা থাকে যেমন – নিরামিষাশীদের খাদ্যে যথেষ্ট প্রোটিন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে এক্ষেত্রে প্রোটিন পাউডার সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
💪 প্রোটিন পাউডার শরীরের গঠনের উন্নতির পাশাপাশি দেহের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধার, দেহের ওজনের ভারসাম্য রক্ষা এবং চর্বিহীন পেশীর ক্ষতির প্রভাব হ্রাস করার উপায় হিসাবেও কাজ করে।
💪 এছাড়াও, যদি শরীরে সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে অথবা প্রচুর পরিমাণে ব্যায়াম করা হয় বা প্রসবোত্তর কালীন প্রোটিনের চাহিদা বেড়ে গেলে তা পূরণে প্রোটিন পাউডার সহায়ক হতে পারে।
মানুষের দেহের জন্য প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এটি শরীরের মাংসপেশীর গঠন থেকে শুরু করে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখা সহ বিভিন্ন ভাবে কাজ করে থাকে।প্রোটিনের বিভিন্ন কাজ ও গুরুত্ব নিম্নে দেওয়া হলো :
🥃 সকালের নাস্তায় -সারাদিনের কর্মচাঞ্চল্যতা ধরে রাখতে সকালের নাস্তার সাথে প্রোটিন পাউডার গ্রহণ করা যায়।
🥃 মিড মর্নিং -কিছুক্ষণ পর পর ক্ষুধার উদ্রেক দূরীকরণের জন্য মিড মর্নিং এ খাওয়া উপকারী।
🥃 বিকেলের নাস্তায় -সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে আরও চনমনে ও উদ্দীপ্ত রাখতে প্রোটিন পাউডার দারুণ কাজ করে।
🥃 বেড টাইমে -রাতে শোবার আগে প্রোটিন শেক পান করলে রাতারাতি পেশীর প্রোটিন সংশ্লেষণ বেড়ে পেশী কোষ বৃদ্ধি পায় সেই সাথে পেশী শক্তি উন্নত করে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়তা করে।
🥃 ব্যায়ামের আগে অথবা পরে -ব্যামের ৩০ মিনিট আগে অথবা পরে প্রোটিন শেক গ্রহণ করলে প্রোটিন সংশ্লেষণ দ্রুত হতে সাহায্য করে।